মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বোমা হামলার আশঙ্কা, সারাদেশে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশহরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান–ওমান চুক্তির পথে, জাহাজ চলাচলের নতুন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা শেষ পর্যায়েবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেবোমা হামলার আশঙ্কা, সারাদেশে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশহরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান–ওমান চুক্তির পথে, জাহাজ চলাচলের নতুন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা শেষ পর্যায়েবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

৪০ টাকার দুই টিকিট, একটিতে ৩০ লাখের পুরস্কার!

ঈশ্বরগঞ্জের কৃষক হানিফ মিয়ার ২০ টাকার লটারির টিকিটে ৩০ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কারের নম্বর মিলে গেছে। তবে আনুষ্ঠানিক যাচাই শেষে পুরস্কার নিশ্চিত হবে।

হাসান

ঢাকাপ্রকাশ: · মিনিট পড়া

ঈশ্বরগঞ্জের হানিফের ভাগ্য বদলের অপেক্ষা
ঈশ্বরগঞ্জের হানিফের ভাগ্য বদলের অপেক্ষা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের কৃষক হানিফ মিয়ার জীবনে যেন হঠাৎ করেই নতুন স্বপ্নের হাতছানি। মাত্র ২০ টাকা দামের একটি লটারির টিকিটের নম্বর মিলে গেছে ৩০ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কারের ঘোষিত নম্বরের সঙ্গে। তবে আনুষ্ঠানিক যাচাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই পুরস্কারকে নিশ্চিত হিসেবে দেখছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

হানিফ মিয়া ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা। সংসার চালাতে তিনি স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে কাজ করার পাশাপাশি হাঁসের খামার ও কৃষিকাজ করেন।

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতি (বিপিকেএস) আয়োজিত ‘বিপিকেএস জাতীয় লটারি-২০২৬’-এর ড্র অনুষ্ঠিত হয় গত ১৯ জুলাই। ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৩০ লাখ টাকার জন্য ‘গ-০১৬৪৩৬৪’ নম্বরটি ঘোষণা করা হয়। হানিফ মিয়ার কাছে থাকা একটি টিকিটের নম্বরের সঙ্গে ওই নম্বরের মিল পাওয়া গেছে।

হানিফ জানান, মহেশপুর বাজারের একটি ফার্মেসিতে কাজ করার সময় লটারির টিকিট বিক্রির খবর পেয়ে তিনি ২০ টাকা করে দুটি টিকিট কিনেছিলেন। পরে অনলাইনে লটারির ফলাফল দেখার সময় একটি টিকিটের নম্বরের সঙ্গে প্রথম পুরস্কারের নম্বর মিলে যায়।

প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি তিনি। কয়েকবার নম্বরটি যাচাই করার পর নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর মূল টিকিট নিয়ে বিপিকেএসের কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে কর্তৃপক্ষ সেটি প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে।

হানিফের পারিবারিক জীবনও বেশ সংগ্রামের। তাঁর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা সংসারে থাকেন। মা হামিদা বেগমকে নিয়ে তিনি নানার বাড়িতে থাকেন। তাঁর দুটি বোন রয়েছে।

সম্প্রতি বসতভিটার জমি নিয়ে পারিবারিকভাবে একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তিনি মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। সেই সময়ই অনেকটা ভাগ্য যাচাই করতেই লটারির টিকিট কিনেছিলেন বলে জানান তিনি।

হানিফ বলেন, পুরস্কারের টাকা পাওয়ার সুযোগ হলে একটি ফার্মেসি প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি তাঁর হাঁসের খামার আরও বড় করতে চান। এতে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

হানিফের স্ত্রী নীলা আক্তার জানান, ৪০ টাকা দিয়ে দুটি লটারির টিকিট কেনায় প্রথমে তিনি স্বামীকে বকাবকি করেছিলেন। তাঁর মতে, ওই টাকা দিয়ে সংসারের প্রয়োজনীয় কিছু কেনা যেত। কিন্তু পরে একটি টিকিটের নম্বর ৩০ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কারের সঙ্গে মিলে যাওয়ার খবর জানার পর পরিস্থিতি বদলে যায়।

নীলা বলেন, প্রথমে বিষয়টি তাঁদের কাছে স্বপ্নের মতো মনে হয়েছিল। কয়েকবার যাচাই করার পরও যখন নম্বর মিলে যায়, তখন তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আশাবাদী হন। পুরস্কারের টাকা পেলে সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরবে বলে আশা করছেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির জাতীয় লটারি প্রকল্পের পরিচালক হাজি মো. আলম কবির জানান, প্রথম পুরস্কারের দাবিদার হিসেবে এখন পর্যন্ত হানিফ মিয়াই মূল টিকিট নিয়ে তাঁদের কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছেন।

তাঁর ভাষ্য, টিকিটটি প্রাথমিকভাবে সঠিক বলে মনে হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক যাচাই-বাছাইয়ের পরই পুরস্কারপ্রাপ্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

তিনি জানান, চলতি মাসের ২০ তারিখের পর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

অতএব, হানিফ মিয়ার টিকিটের নম্বর প্রথম পুরস্কারের ঘোষিত নম্বরের সঙ্গে মিলে গেলেও আনুষ্ঠানিক যাচাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৩০ লাখ টাকা তাঁর নিশ্চিত প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

মন্তব্য

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER