২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজিত হবে ৩ মহাদেশের ৬ দেশে
২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে তিনটি মহাদেশের ছয়টি দেশ। মরক্কোর বেনসলিমান অঞ্চলে ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এক লাখ ১৫ হাজার ধারণক্ষমতার বিশাল স্টেডিয়াম।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের আসরটি ঐতিহ্যগত সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বের তিনটি ভিন্ন মহাদেশে এবং মোট ছয়টি দেশে। আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রস্তুতি এখন জোরেশোরে এগিয়ে চলছে।
এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী প্রথম তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে লাতিন আমেরিকার তিনটি দেশে। দেশগুলো হলো আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে। ফুটবলের সূচনালগ্ন এবং ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে ফিফা এই বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা এই তিন দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ।
উদ্বোধনী পর্বের পর এই বিশ্ব আসরের মূল অংশের খেলাগুলো যৌথভাবে আয়োজন করবে অপর তিন দেশ মরক্কো, পর্তুগাল এবং স্পেন। ইউরোপ এবং আফ্রিকার এই দেশগুলো একত্রে মহাযজ্ঞের মূল আকর্ষণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের অবকাঠামোগত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মরক্কোয় একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশটির কাসাব্লাঙ্কা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে বেনসলিমান অঞ্চলে এই বৃহৎ প্রকল্পটির কাজ চলছে। এর মাধ্যমে আয়োজক দেশগুলো তাদের ক্রীড়া পরিকাঠামোকে বিশ্বমানের স্তরে উন্নীত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজে বিশাল অংকের অর্থায়ন করা হয়েছে। মরক্কোর বেনসলিমান অঞ্চলে নির্মিতব্য এই 'হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়াম' প্রকল্পে মোট ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। আর্থিক এই বিনিয়োগের মাধ্যমে স্টেডিয়াম নির্মাণে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শুধু অর্থায়নই নয়, দর্শক ধারণক্ষমতার দিক থেকেও এই স্টেডিয়ামটি হবে অত্যন্ত তাক লাগানো। নির্মাণাধীন 'হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়াম'-এর মোট ধারণক্ষমতা হবে এক লাখ ১৫ হাজার জন। বিশাল এই ভেন্যুটি ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।








