১৪ দিনে ব্যবসার লাইসেন্স দেবে নবগঠিত ইনভেস্ট বাংলাদেশ
বিডা, বেজা ও পিপিপি একীভূত হয়ে গঠিত নতুন বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ' মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসা শুরুর লাইসেন্স দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিনিয়োগবান্ধব এই কার্যক্রমের কথা জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সহজ ও গতিশীল করতে নতুন একটি বিনিয়োগবান্ধব কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ নামক নতুন এই বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকর করার পথে জোরালোভাবে এগোচ্ছে। ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দেশের বিনিয়োগ খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি আসে।
জানা গেছে, দেশের বিনিয়োগ খাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান—বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ—একীভূত হয়ে নতুন এই 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ' গঠিত হয়েছে। এই একীভূতকরণের ফলে পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তি ও সক্ষমতা এক জায়গায় এসেছে।
নতুন এই সংস্থার সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন আশিক চৌধুরী। তিনি ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বেই সংস্থাটি বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা আরও সহজ করার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এই একীভূতকরণ ও নতুন কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, এটি শুধু তিনটি প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়। বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারের কাজ আরও কার্যকরভাবে সাজানোই এর লক্ষ্য। আমাদের সক্ষমতাগুলো এক করে আমরা বিনিয়োগের পুরো পথে দায়িত্ব ও জবাবদিহি আরও স্পষ্ট করতে এবং আরও সমন্বিত সহায়তা দিতে চাই।
সংস্থাটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে আশিক চৌধুরী আরও যোগ করেন যে, পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্জন ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে আরও বড় ও শক্তিশালী দল হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু করা হবে। তাঁর এই বক্তব্যে দেশের বিনিয়োগকারীদের আস্থার বিষয়টি বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইনভেস্ট বাংলাদেশ তাদের কার্যক্রমে গতি আনতে এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ১৪ দিনেই ব্যবসার লাইসেন্স দেওয়ার পাশাপাশি ১৮০ দিনের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করার প্রক্রিয়া যেমন দ্রুত হবে, তেমনি দীর্ঘসূত্রতাও অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।








