হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী পণ্য রপ্তানির ওপর জোর
হংকং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও এইচকেটিডিসির নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিটুবি ম্যাচমেকিং আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হংকং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সামিটের সাইডলাইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং হংকং ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের (এইচকেটিডিসি) নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চং এই বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপর বিশেষভাবে জোর দেন সংশ্লিষ্টরা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে হংকংয়ের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য উভয় পক্ষের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং বিটুবি ম্যাচমেকিং আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ মোট ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। অপরদিকে, একই সময়ে বাংলাদেশ হংকংয়ে ১০৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
পরবর্তী অর্থবছরে রপ্তানি খাতে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে হংকংয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি সামান্য বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে সামগ্রिक বাণিজ্যে ঘাটতি রয়ে যাওয়ায় বাণিজ্য বহুমুখীকরণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে হংকংয়ের কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, হংকংকে দক্ষিণ চীন ও গ্রেটার বে এরিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।








