স্থানীয় সরকারের নতুন আচরণবিধি জারি করল নির্বাচন কমিশন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আচরণবিধিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য আলাদা বিধিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আচরণবিধিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার রাতে বাংলাদেশে এই নতুন আচরণবিধিমালা জারি করা হয়। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনগুলোকে সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে ইসি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
প্রকাশিত নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানীয় স্তরের জন্য আলাদা আলাদা নিয়ম ঠিক করা হয়েছে। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য আলাদা আলাদা আচরণবিধি প্রকাশ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এবার স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হবে নির্দলীয়। রাজনৈতিক দলের প্রতীকের পরিবর্তে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রচারের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে বেশ কিছু পরিবর্তন। ভোটের প্রচারে প্রার্থীরা কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে পোস্টারের পরিবর্তে ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল ও বিলবোর্ড ব্যবহার করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রচারের পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে এই নতুন আচরণমালায়। তবে এর পাশাপাশি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নিয়মেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়নপ্রপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন সমর্থক থাকতে পারবেন। এর বেশি লোকসমাগম করা যাবে না।
ভোটারদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর এবং এমএফএস লেনদেনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করা যাবে না।
প্রভাবমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভিআইপিদের জন্যও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিরা স্থানীয় নির্বাচনে কোনো ধরনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।








