সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি, যোগ দিতে চায় বাংলাদেশ
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মক্কায় স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ৭ই অগাস্ট সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পন্ন হয়। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মক্কায় অনুষ্ঠিত এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এই তিন দেশের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি অংশগ্রহণে এই প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হলো।
এই চুক্তির বিষয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু এই তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বরং আরও বিস্তৃত হওয়া এবং সম্ভব হলে এমন একটি অবস্থা সৃষ্টি করা, যাতে একদিন এই অঞ্চলের সব দেশ এই ছাতার নিচে একত্রিত হতে পারে।
এদিকে, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের এই আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ এই জোটে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে বিশ্লেষক সাহাব এনাম খান মন্তব্য করেছেন, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশে যুক্ত হলে তা সামরিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক দিক থেকেও লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে।
অন্যদিকে গবেষক আলতাফ পারভেজ বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে বলেছেন, বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই ভেঙে পড়েছে। আঞ্চলিক শক্তিগুলো সবাই এখন পরস্পরকে আঁকড়ে ধরে টিকে থাকার পথ খুঁজছে। তারই ধারাবাহিকতা এই মক্কা প্যাক্ট।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের এই জোটে যোগদানের আগ্রহের বিষয়টি দেশের কৌশলগত অবস্থানকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








