সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে ফেরাতে রেড নোটিশের আবেদন
সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে চিঠি দিয়েছেন। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়েছে। মূলত তাকে বিদেশে পালিয়ে থাকা অবস্থায় আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্যই এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ ও ইন্টারপোলের কার্যক্রমে সহায়তার অংশ হিসেবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং পুলিশের ইন্টারপোল ন্যাশনাল সেন্টার বুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত আইজি বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।
১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্টদের কাছে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেন এবং এর নেপথ্যের কারণগুলো তুলে ধরেন।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, 'জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।'
তিনি আরও যোগ করেন যে, বিদেশে পালিয়ে থাকা এই সাবেক সেনাপ্রধানকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। চিফ প্রসিকিউটর দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, 'ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে পারবো বলে আমরা মনে করি।'
উল্লেখ্য, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সাবেক এই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আবেদনটিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।








