সংসদীয় কমিটির বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা
জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬' সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংসদীয় কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক। ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা ছিল 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬' পরীক্ষাপূর্বক রিপোর্ট প্রদান। বিলটির বিভিন্ন দিক নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনার পর এটি সংসদে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ব্যবস্থাপনায় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের অংশগ্রহণে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়।
তবে বৈঠকের কার্যপদ্ধতির একপর্যায়ে কিছুটা নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বৈঠকের একপর্যায়ে কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন। তাদের এই ওয়াকআউট করার বিষয়টি রাজনৈতিক ও সংসদীয় অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ওয়াকআউটের ঘটনার পর কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্টদের সামনে তার সুনির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।
ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, বৈঠকে জয়নুল আবেদীনের পাশাপাশি মিরাজ শেখ, মো. নূরুল ইসলাম, মো. আব্দুল বাতেন, সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর শাহে আলম, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এবং শিরীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতিতেই মূলত সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সবমিলিয়ে ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত এই দ্বিতীয় বৈঠকটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনগত প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬' সংসদে প্রেরণের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিলটি পাসের ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ অগ্রগতি হলো।








