সংগীতের বরেণ্য শিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিনে রুনা লায়লার শ্রদ্ধা
আজ ৪ সেপ্টেম্বর প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে গুণী এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণমাধ্যমে তাকে অনন্য এক উচ্চতার শিল্পী হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন আরেক কিংবদন্তি রুনা লায়লা।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আজ ৪ সেপ্টেম্বর দেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ও বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিন। ১৯৫৪ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সংগীতজগতে তার অবদান ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নানা দিক এই বিশেষ দিনে ভক্ত ও অনুরাগীদের মাঝে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
শিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনের পৈতৃক নিবাস সাতক্ষীরায় হলেও তিনি মূলত বেড়ে উঠেছেন নারায়ণগঞ্জে। শৈশব ও কৈশোর পেরিয়ে সংগীতের মূল ধারায় যুক্ত হওয়ার যাত্রায় তার পারিবারিক পরিবেশ এবং নিজস্ব সাধনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
তার আনুষ্ঠানিক সংগীতযাত্রার একটি বড় মাইলফলক হলো প্লেব্যাক বা নেপথ্য সংগীত। ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'আগুন নিয়ে খেলা' চলচ্চিত্রে সাবিনা ইয়াসমিন প্রথমবারের মতো প্লেব্যাক করেন। চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছিলেন আমজাদ হোসেন ও নুরুল হক বাচ্চু।
তার এই দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সংগীতজীবনে তিনি অগণিত জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। তার গাওয়া সুর ও বাণীর বৈচিত্র্য বাংলা গানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শ্রোতাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে তার কণ্ঠের জাদুকরী সুষমা।
সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিনে তাকে নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করেছেন সংগীতের আরেক জীবন্ত কিংবদন্তি রুনা লায়লা। একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে রুনা লায়লা তাকে নিয়ে অত্যন্ত প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেন।
রুনা লায়লা বলেন, 'সাবিনা ইয়াসমিন একজন খুবই উচ্চমানের শিল্পী। আমি নিজেই তার গানের ফ্যান। বিশেষ করে তিনি রোমান্টিক ও স্যাড গানগুলো এতো দারুণ গেয়েছেন, সেটাকে খুব সম্মান করি।' দুই কিংবদন্তির এই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বিষয়টি সংগীতপ্রেমীদের জন্যও দারুণ অনুপ্রেরণার।
সংগীতের এই মহান শিল্পীর পারিবারিক পটভূমির পেছনে রয়েছেন তার বাবা লুতফর রহমান এবং মা বেগম মৌলুদা খাতুন। তাদের প্রেরণায় সাবিনা ইয়াসমিন আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছেন এবং বাংলা গানকে সমৃদ্ধ করেছেন।








