শ্রীলঙ্কায় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে ডিআইইউ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ
শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত ওয়ার্ল্ড কনস্ট্রাকশন সিম্পোজিয়াম (ডব্লিউসিএস ২০২৬) এবং রুহুনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ফেলো হিসেবে অংশ নিয়েছেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভন। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েকশ গবেষক ও বিজ্ঞানী যোগ দেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

শ্রীলঙ্কায় আন্তর্জাতিক দুটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মেলনে ফেলো হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভন। সিলন ইনস্টিটিউট অব বিল্ডার্স আয়োজিত ওয়ার্ল্ড কনস্ট্রাকশন সিম্পোজিয়াম (ডব্লিউসিএস ২০২৬) এবং রুহুনা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এই প্রতিনিধিত্ব করেন।
শ্রীলঙ্কায় পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু হয় এই আয়োজনের মূল রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ থেকে এই সম্মেলনে যোগ দিতে আসেন ছয় থেকে সাত শ গবেষক, বিজ্ঞানী এবং খ্যাতনামা প্রফেসর। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এমন একটি জমায়েত অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে।
সম্মেলনের মূল পর্বে একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমের ব্যাপক সমাহার দেখা যায়। ছয় থেকে সাতটি রুমে তখন একযোগে একসঙ্গে চলছিল সমান্তরাল টেকনিক্যাল সেশন। এসব সেশনে বিভিন্ন দেশের গবেষকরা তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন এবং আধুনিক প্রকৌশલ বিষয়ে আলোচনা চালান।
এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভনের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ ও বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ওমর ফারুক, সিরাজুল ইসলাম প্রধান, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রফেসর ড. অনুরাধা ওয়াইদ্যাসেকারা, প্রফেসর টি এন বিক্রমায়ারাচ্চি এবং শাহ আলম চৌধুরী।
সিলন ইনস্টিটিউট অব বিল্ডার্স এবং রুহুনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ বা পৃথক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সম্মেলনগুলোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গবেষকদের মধ্যে নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে সিভিল ও এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের আধুনিক অগ্রগতি নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভনের এই উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল অর্জন। আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে তার অংশগ্রহণ দেশের প্রকৌশল শিক্ষার মান ও তরুণ গবেষকদের সম্ভাবনাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।








