শেওড়াপাড়ায় সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের স্বল্পতায় চালকদের দুর্ভোগ
রাজধানীর শেওড়াপাড়ার একটি সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের স্বল্প সরবরাহের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অটোরিকশাচালকরা। পাম্পে গ্যাসের প্রেসার কম থাকায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও চাহিদামতো গ্যাস পাচ্ছেন না তারা। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই চিত্র দেখা যায়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর কাফরুল থানার শেওড়াপাড়ার একটি সিএনজি স্টেশনে অটোরিকশাচালকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও চাহিদামতো গ্যাস পাচ্ছেন না। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই স্টেশনে গ্যাসের স্বল্প সরবরাহ ও চালকদের তীব্র দুর্ভোগের চিত্র সামনে এসেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে পাম্পে গ্যাসের প্রেসার কম থাকায় চালকরা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অল্প পরিমাণ গ্যাস পাচ্ছেন। এই সংকটের কারণে প্রতিদিন জীবিকা নির্বাহ করতে গিয়ে চালকদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ার কারণে চালকদের আয়ের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। শেওড়াপাড়ার ওই সিএনজি স্টেশনে অটোরিকশাচালক সানাউল্লাহ দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর মাত্র ২৯ টাকার গ্যাস পেয়েছেন।
নিজের শারীরিক অবস্থা ও আর্থিক সংকটের কথা জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, 'ভাই, শরীরটা বেশি ভালো না। ভেবেছিলাম, অন্তত ৩৮০ টাকার গ্যাস নিতে পারব। তাহলে রাত পর্যন্ত গাড়িটা চালিয়ে মালিকের জমা দেওয়ার পর বাসার বাজার করা যেত। এখন তা আর হলো না। এটি নিয়ে গ্যারেজে জমা দিয়ে খালি হাতে বাসায় যেতে হবে।'
ভোগান্তির শিকার শুধু সানাউল্লাহ একা নন, অন্য চালকদের অবস্থাও একই রকম। সিএনজি স্টেশনে সোয়া ঘণ্টা অপেক্ষার পর ৫৩ টাকার গ্যাস পেয়েছেন আরেক চালক রফিকুল ইসলাম।
এদিকে চালক মনিরুল ইসলাম পৌনে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর মাত্র ৮১ টাকার গ্যাস পেয়েছেন। নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে মনিরুল ইসলাম বলেন, 'ভাই, ঢাকা শহরে পরিবার পরিজন নিয়ে কীভাবে বাঁচব সেটি নিয়ে ভাবছি। পৌনে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর পেলাম ৮১ টাকার গ্যাস।'
গ্যাসের এই সংকটের মূল কারণ ব্যাখ্যা করে মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, 'এখন অধিকাংশ গ্যাস পাম্পে প্রেসার না থাকায় আমরা চাহিদামতো গ্যাস নিতে পারছি না।' সার্বق মিলিয়ে শেওড়াপাড়ার এই সিএনজি স্টেশনের ঘটনায় রাজধানীতে অটোরিকশাচালকদের পেশাগত ও পারিবারিক জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে।








