রোমান্টিক নাটক-সিনেমায় কড়াকড়ি আরোপের আইনি নোটিশ
দেশের নাট্য ও চলচ্চিত্র শিল্পে কেবল রোমান্টিক বা প্রেমভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তరుগুলোতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী এই নোটিশ পাঠিয়ে ১০ দিনের মধ্যে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলে এতে জানানো হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী দেশের নাট্য ও চলচ্চিত্র মাধ্যমে কেবল প্রেম বা রোমান্সভিত্তিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ এবং প্রচারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়ে সরকারের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। শুধুমাত্র রোমান্টিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত কনটেন্টের পরিবর্তে বিকল্প ও গঠনমূলক ধারার কনটেন্ট তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এই আইনি পদক্ষেপে।
নোটিশে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বরাবর এই দাবি উত্থাপন করেছেন। তিনি তার আইনি নোটিশে সুনির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নতুন ও শিক্ষণীয় কনটেন্ট নির্মাণের ওপর জোরালো তাগিদ দিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেবল প্রেমভিত্তিক নাটক বা সিনেমার উৎপাদন সীমিত করে দেশের সংস্কৃতি ও তরুণ সমাজের মননে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন বিষyuগুলো সামনে আনতে হবে।
আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুনের পাঠানো এই নোটিশে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক, শিক্ষণীয়, ইতিহাসনির্ভর, মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং দেশ প্রতিরক্ষা বা সমরাস্ত্র সম্পর্কিত বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও নাটক তৈরির সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ।
দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কাছে এই নোটিশের মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যম ও সংস্কৃতির সার্বিক সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে।
আইনি নোটিশে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর প্রতি একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, এটি পাওয়ার পর আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্ধারিত এই ১০ দিনের সময়সীমার মধ্যে যদি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সন্তোষজনক বা কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে দেশের উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন বা রিট মামলা দায়ের করা হবে বলে নোটিশে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।








