রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপির সমাবেশে হট্টগোল ও চেয়ার ছোড়াছুড়ি
রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মী ও ছাত্রদলের মধ্যে হট্টগোল ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। ১ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এই রাজনৈতিক সমাবেশে দলটির নেতাকর্মী এবং ছাত্রদলের লোকজনের মধ্যে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই হট্টগোলের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।
সমাবেশ চলাকালীন সময়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন কামরুজ্জামান আয়নাল। তিনি এই ঘটনার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বলেন, নির্ধারিত সময়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণেই মূলত নেতাকর্মীদের মধ্যে এই হট্টগোল ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি একপর্যায়ে আরও অবনতি ঘটে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির মতো ঘটনাও ঘটে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের সমাবেশে এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তবে এই হট্টগোল ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আব্দুলুস সবুর বুলেট জানান, যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে এ-সংক্রান্ত ছবি তার হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়ার জন্য বলেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। দুর্গাপুর থানা পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের তৎপরতার কারণে বিশৃঙ্খলা আর বেশিদূর এগোতে পারেনি।
এই পুরো ঘটনার বিষয়ে দুর্গাপুর থানার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। পঞ্চানন্দ সরকার জানান, তিনি ছুটিতে ছিলেন এবং রাতে থানায় ফিরেছেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে সমাবেশে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও নিশ্চিত করেন যে, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। স্বস্তির বিষয় হলো, এত সব হট্টগোল ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনার পরও শেষ পর্যন্ত কেউ আহত হননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।








