রাজশাহী-১ আসনের এমপির ডিও লেটার নিয়ে সংসদে আলোচনা
রাজশাহী-১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের ডিও লেটার কার্যকর না হওয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে বিশেষ অধিকারের নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তা সংসদের হস্তক্ষেপের উপযোগী নয় বলে গ্রহণ করা হয়নি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে রাজশাহী-১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের ডিও লেটার কার্যকর না হওয়া এবং সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী এমপিদের আধিপত্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উত্থাপিত হয়। এই ঘটনায় সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনা অনুযায়ী, রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে দুটি বিশেষ অধিকারের নোটিশ দিয়েছেন। এই নোটিশগুলোর মাধ্যমে তিনি স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বৈষম্যের শিকার হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।
মো. মুজিবুর রহমান তার নোটিশে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন যে, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের ডিও লেটার (পরামর্শপত্র) ছাড়া স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ডিও লেটারে কোনো কাজ হচ্ছে না। এর ফলে এলাকায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কার্যকারিতা ও ভূমিকা সীমিত হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন। তিনি সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের দেওয়া নোটিশ দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং অধিবেশন পরিচালনা করেন।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নোটিশ দুটি সম্পর্কে বলেন, 'মাননীয় সদস্যের নোটিশ দুটির বিষয় প্রায় একই ধরনের।' তিনি এই বিষয়টির ওপর বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন এবং সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
উপস্থিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, 'সংসদীয় এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা একজন জনপ্রতিনিধির অন্যতম লক্ষ্য। নির্বাচিত ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য উভয়েই এ লক্ষ্যে ভূমিকা পালন করতে পারেন। দুজন সংসদ সদস্য যাতে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখতে পারেন, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট থাকবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি। একই এলাকায় একজন সদস্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে অন্যজনকে যেন গুরুত্বহীন না করা হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই দৃষ্টি রাখবেন।'
তবে সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার পর জানানো হয় যে, এই নোটিশ দুটি সংসদের হস্তক্ষেপের উপযোগী নয়। এই সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়েই মো. মুজিবুর রহমানের দেওয়া বিশেষ অধিকারের নোটিশ দুটি সংসদে গ্রহণ করা হয়নি।








