রংপুরে শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যা ও মামলা দায়ের
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে এবং নিহতদের পরিবার মামলা দায়ের করেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২০২৬ সালের ২০ আগস্ট রংপুরে একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই নৃশংস ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চারজন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই লোমহর্ষক ঘটনার পেছনে অপরাধীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত ছিল। অপরাধীরা ঘটনার সময় আট পিস ইয়াবা সেবন করেছিল এবং ঘটনাস্থল থেকে ১৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এই বিষয়গুলো পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে।
নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে রয়েছেন প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী, আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম, পূর্ণিমা কাকি, গোপীনাথ চক্রবর্তী ও সনাতন চক্রবর্তী। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে সীমান্ত, শান্ত ও দেবু নামের ব্যক্তিরাও কোনো না কোনোভাবে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এই মামলার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষক পরিবারের চারজন সদস্যের এই করুণ মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষক সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








