যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটে পাস হলো না ডিজিটাল অ্যাসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট
যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটে পাস হতে ব্যর্থ হয়েছে বহুল আলোচিত ডিজিটাল অ্যাসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় ৬০টি ভোট অর্জনে ব্যর্থ হয়। এর পক্ষে ভোট পড়ে ৫০টি এবং বিপক্ষে পড়ে ৪৯টি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মার্কিন সেনেটে ডিজিটাল অ্যাসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবটি পাস হতে ব্যর্থ হয়েছে। সেনেটে এই বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার। তবে প্রয়োজনীয় সমর্থনের অভাবে বিলটি চূড়ান্ত পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সেনেটে এই বিলটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত ৬০টি ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মঙ্গলবারের ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে ভোট পড়ে ৫০টি এবং বিপক্ষে পড়ে ৪৯টি। এর ফলে প্রয়োজনীয় ৬০টি ভোটের কোটা পূরণ না হওয়ায় বিলটি থমকে যায়।
এই ভোটাভুটিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে চারজন রিপাবলিকান সেনেটর—জেরি মোরান, র্যান্ড পল, জোশ হাওলে এবং থম টিলিস—বিলটির বিপক্ষে ভোট দেন। তাদের সাথে সব ডেমোক্র্যাট সেনেটররাও বিলটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
এদিকে এই বিলটি নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে ব্যাপক বিতর্ক ও আলোচনা চলছে। সেনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন বিলটির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ যখন দেশজুড়ে চরম affordability crisis বা সাধ্যের বাইরে চলে যাওয়া জীবনযাত্রার সংকটে ভুগছেন, তখন এই বিলটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রিপ্টোকারেন্সি খাত থেকে হাজার হাজার কোটি ডলার আয়ের ক্ষমতাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
বিলটির বিরোধিতাকারীদের মতে, এটি বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু মহলের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে। অন্যদিকে সমর্থকরা এই বিলটিকে ক্রিপ্টো বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও সেনেটের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে এটি বড় ধরনের হোঁচট খেল।
যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর এখতিয়ার এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই মূলত এই ডিজিটাল অ্যাসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট আনা হয়েছিল। তবে সেনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জটিল সমীকরণ এবং দলের ভেতরের বিরোধিতার কারণে আপাতত আইন হিসেবে আলোর মুখ দেখছে না এই প্রস্তাবিত বিলটি।








