যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পলায়নের পর কেরানীগঞ্জে মিতু আক্তার গ্রেপ্তার
যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে থানায় আটক থাকা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া আসামি মিতু আক্তারকে কেরানীগঞ্জ থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলার আসামি মিতু আক্তার থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে পুলিশ আটক করে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরের দিকে তিনি যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
মিতু আক্তার যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পুলিশি হেফাজতে ছিলেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার ভোরে কোনো এক সময় তিনি থানা চত্বর বা কক্ষ থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। এই চাঞ্চল্যকর পলায়নের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভেতর নড়েচড়ে বসে।
ঘটনার পরপরই নড়েচড়ে বসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। থানা থেকে আসামি পলায়নের এই ঘটনায় দায়িত্বে চরম অবহেলার প্রমাণ মেলে। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে পুলিশ সদস্যের সংখ্যা নিয়ে কিছু তথ্য উঠে এসেছে। একটি সূত্র মতে, এ ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অন্যদিকে অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, চারজন পুলিশ সদস্যকে এই অব্যবস্থার কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তারের পর মিতু আক্তারকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কীভাবে তিনি থানা থেকে পালিয়েছিলেন এবং এই ঘটনার পেছনে অন্য কারও সহযোগিতা ছিল কি না।
এই পুরো ঘটনায় ডেমরা জোনসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নজর রাখছেন। মীর মুহসীন মাসুদ রানা এবং এবি সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করছেন। থানা থেকে আসামি পালানোর মতো এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের উচ্চপর্যায় থেকে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।








