যশের 'টক্সিক' সিনেমার ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি নিয়ে জটিলতা
কন্নড় সিনেমার তারকা অভিনেতা যশের 'টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস' সিনেমার ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১২০ কোটি রুপি বা ১৫৬ কোটি টাকা সম্ভাব্য লোকসানের মুখে পড়তে পারে বলে জানা গেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় তারকা অভিনেতা যশের নতুন সিনেমা 'টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস' ঘিরে ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই জটিলতার কারণে সিনেমাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রায় ১২০ কোটি রুপি বা ১৫৬ কোটি টাকা সম্ভাব্য লোকসান হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহৎ বাজেটের এই সিনেমাটির নির্মাণ ও পরিচালনা নিয়ে এর মধ্যেই নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
বহুল আলোচিত এই সিনেমাটির পরিচালনা করেছেন গীতু মোহনদাস। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা যশ, যেখানে তার চরিত্রের নাম রাখা হয়েছে রায়া। যশ ছাড়াও সিনেমাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, রুক্মিণী বসন্ত এবং হুমা কুরেশি। ফলে তারকা বহুল এই কাস্টিং নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল রয়েছে।
বিশাল আয়োজনের এই সিনেমাটির মোট বাজেট ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি রুপি। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন ভেঙ্কট কে. নারায়ণ ও অভিনেতা যশ নিজে। বিশাল বাজেটের এই প্রজেক্টটি নিয়ে নির্মাতারা শুরু থেকেই বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন, যার মধ্যে এর ডিজিটাল বা ওটিটি স্বত্ব বিক্রিও একটি বড় অংশ ছিল।
বলিউড হাঙ্গামাকে জানানো একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, 'টক্সিক' সিনেমার নির্মাতাদের শীর্ষস্থানীয় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ১৫০ কোটি রুপির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু নির্মাতাদের চাহিদা ছিল ২০০ কোটি রুপিরও বেশি। সে সময় অভিনেতা যশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে ব্লকবাস্টার ব্যবসা করবে। আর সেই সাফল্যের প্রভাব সিনেমাটির থিয়েটার-পরবর্তী ওটিটি স্বত্বের দামের উপরে পড়বে এবং তিনি ২০০ কোটি রুপির বেশি মূল্যে ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করেছিলেন।
তবে অভিনেতা যশের সেই আশার বিপরীতে বাস্তবে ঠিক তার উল্টোটা ঘটেছে। প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় এবং ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। এই সম্ভাব্য লোকসানের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি রুপি বা ১৫৬ কোটি টাকা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় ৩০ কোটি থেকে শুরু করে ২০০ কোটি বা ৫০০ কোটি রুপির বিভিন্ন হিসাবের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে একটি বড় ধাক্কা।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য এবং সম্ভাব্য ক্ষতি কমিয়ে আনার উপায় নিয়ে এখন আলোচনা চলছে। বলিউড হাঙ্গামাকে জানানো সূত্র অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ কীভাবে কমানো যায়, তার সম্ভাব্য একটি উপায় হলো—সম্পূর্ণ সিনেমা সম্পাদনা করে ওটিটির জন্য নতুন একটি সংস্করণ তৈরি করা। জিফাইভ প্ল্যাটফর্ম বা অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যের বাইরে এই কৌশলগত পদক্ষেপগুলো এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।








