মালয়েশিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৭৭৭৭ কর্মীকে অগ্রাধিকারের নির্দেশ
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিহ্নিত ১৭ হাজার ৭৭৭ জন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে দায়ের করা একটি রিট মামলার শুনানি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই শুনানির পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, যা প্রবাসী শ্রমিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
আদালতের এই নির্দেশনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নির্দিষ্ট কিছু কর্মীর নাম ও তথ্য উঠে এসেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিহ্নিত ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মীকে এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এর আগে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়াটিতে নানা ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও আইনি প্রতিকারের লক্ষ্যে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত দেন।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিহ্নিত এই ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মী অতীতে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁরা মালয়েক্ষিয়ায় যাওয়ার সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও শেষ পর্যন্ত নানা জটিলতার কারণে সেখানে পৌঁছাতে পারেননি বা মারাত্মক আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আদালতের নতুন আদেশের ফলে তাঁদের বিষয়টি এখন অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আদালতের এই নির্দেশনার ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় থাকা ক্ষতিগ্রস্ত এই কর্মীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলেন। বিশেষ করে ১০ হাজার থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রক্রিয়াগত বিষয়ের সাথে জড়িত এই খাতটিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ভুক্তভোগীদের অধিকার রক্ষায় এই আদেশ একটি বড় পদক্ষেপ।
আদালতের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিহ্নিত ১৭ হাজার ৭৭৭ জন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে ভুক্তভোগী শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ও দুশ্চিন্তার অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।








