মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ এজেন্সিকে যুক্ত করায় চার দেশের উদ্বেগ
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে যুক্ত করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর সংগঠন। বৃহস্পতিবার এই চার দেশের সংগঠনগুলো একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চার দেশের জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর সংগঠন। বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর পক্ষ থেকে এই যৌথ উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চার দেশের সংগঠনগুলো গত বৃহস্পতিবার একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। প্রকাশিত এই বিবৃতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের যৌথ উদ্বেগের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।
এর আগে, বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য গত ২১ আগস্ট একটি নির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা হয়। এফডব্লিউসিএমএস প্ল্যাটফর্মে কর্মী নিয়োগের জন্য এই তালিকায় মোট ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে যুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ফরেন এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি (এনএএফইএ), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা), মিয়ানমার ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন (এমওইএএ) এবং পাকিস্তান ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্রমোটারস অ্যাসোসিয়েশন (পিওইপিএ)।
যৌথ বিবৃতিতে চার দেশের এই সংগঠনগুলোর পক্ষে বলা হয়েছে, সীমিত সংখ্যক সংস্থাকে অগ্রাধিকারমূলক বা একচেটিয়া প্রবেশিকার দিলে তা ন্যায্য প্রতিযোগিতা, স্বচ্ছতা এবং নৈতিক নিয়োগের নীতিগুলোকে দুর্বল করতে পারে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়োগকর্তা ও অভিবাসী শ্রমিক উভয়ের জন্য সম্ভাব্য ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারে। পাশাপাশি এটি শ্রমিকদের পছন্দগুলোকেও সীমাবদ্ধ করে তুলতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
পরিস্থিতির আলোকে চার দেশের সংগঠনসমূহের পক্ষ থেকে আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, তাই মালয়েশিয়া সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে এফডব্লিউসিএমএস নিয়োগব্যবস্থা পর্যালোচনা করার জন্য শ্রদ্ধার সঙ্গে আহ্বান জানাচ্ছি। সমকাল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে, যেখানে দিক বাহাদুর খত্রি, রিয়াজ উল ইসলাম, মিও থান্ট ও সাইয়েদ রহমত আলি শাহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন।








