মাদারীপুর শহরে নির্বাচনী প্রচারের রঙিন পোস্টার-ব্যানারের ছড়াছড়ি
মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনে কোনো তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য মেয়রপ্রার্থীদের রঙিন পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। গাছ ও দেয়ালে পেরেক ঠুকে এসব প্রচারসামগ্রী লাগানো হয়েছে। যদিও প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে পূর্বে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে এগুলো অপসারণ করা হয়েছিল।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনের কোনো তফসিল বা আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে এর মধ্যেই সম্ভাব্য মেয়রপ্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার রঙিন পোস্টার ও ব্যানারে পুরো মাদারীপুর শহর ভরে গেছে। মাদারীপুর, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত জাগো নিউজ সূত্রে ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই তথ্য জানা যায়।
জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রঙিন পোস্টার বা ব্যানার ব্যবহার করে প্রচার-প্রচারণা চালানোর কোনো আইনি বিধান নেই। অথচ আইন ও নিয়মের তোয়াক্কা না করে সম্ভাব্য প্রার্থীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরতে এসব প্রচারসামগ্রী লাগিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মাদারীপুর পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গাছের গুঁড়ি এবং দেওয়ালের গায়ে পেরেক ঠুকে এই পোস্টার ও ব্যানারগুলো সাঁটানো হয়েছে। এর ফলে শহরের সৌন্দর্যহানি ঘটছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মাদারীপুরের স্থানীয় বাসিন্দা নবীন হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "শহরের চারপাশেই বিভিন্ন নেতাদের রঙিন ব্যানার-পোস্টারে ভরা, যা দেখতে মোটেও ভালো লাগে না। নির্বাচনের কোনো কার্যক্রমই এখনো শুরু হয়নি। তাতেই এই অবস্থা। প্রশাসনের উচিত অভিযান চালিয়ে এগুলো অপসারণ করা।"
তবে সম্ভাব্য মেয়রপ্রার্থীরা নিজেদের প্রচারের পক্ষেই যুক্তি তুলে ধরেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সম্ভাব্য মেয়রপ্রার্থী বলেন, "অনেকেই পরিচিতির জন্য নিজের পোস্টার বা ব্যানার টাঙিয়েছেন। তাই আমিও প্রচার ও পরিচিতির জন্য টাঙিয়েছি। যদি প্রশাসন তা অপসারণ করে আর কেউ যদি না টাঙায়, তাহলে আমিও এই কাজ থেকে বিরত থাকবো।"
শহরের এই দৃশ্যপট ও যত্রতত্র পোস্টার লাগানোর প্রবণতা রোধে মাদারীপুর পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাদারীপুর পৌরসভা এবং জেলা প্রশাসন এর আগে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে এই পোস্টার ও ব্যানারগুলো অপসারণ করেছিল।
কিন্তু প্রশাসনের এমন উদ্যোগের পরেও থামছে না প্রচারের হিড়িক। এ বিষয়ে খোন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস জানান, "বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে পোস্টার-ব্যানারগুলো অপসারণ করা হয়েছিল। অপসারণ করে আসার কয়েকদিন যেতেই আবার তারা পোস্টার লাগায়। জেলা প্রশাসন থেকেও অভিযান চালিয়ে অপসারণ করা হয়েছিল। খুব শিগগির আবার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"








