মাইকেল জ্যাকসনের জন্মবার্ষিকী ও তাঁর মৃত্যুর পরের বিশাল আয়
আজ পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জন্মবার্ষিকী। ২০০৯ সালে তাঁর প্রয়াণের পর থেকে তাঁর এস্টেট আয় করেছে ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬, রাত ১০:১৬· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের গ্যারি শহরে ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন পপসম্রাট মাইকেল জোসেফ জ্যাকসন। সংগীতাঙ্গনে তাঁর অবদান ও জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে অবিস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর গড়া অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যা বিভিন্ন অর্থনৈতিক মূল্যায়নে বারবার উঠে এসেছে।
জীবদ্দশায় বিশ্বজুড়ে অসামান্য খ্যাতি অর্জন করলেও, ২০০৯ সালের ২৫ জুন মাত্র ৫০ বছর বয়সে মারা যান মাইকেল জ্যাকসন। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণের সময় তাঁর ওপর বিশাল আর্থিক চাপ ছিল। মৃত্যুর সময় মাইকেল জ্যাকসনের ওপর প্রায় ৪৫ কোটি ডলারের ঋণ জমা হয়েছিল, যা তাঁর সংগীতজীবনের শেষভাগের বড় একটি দিক ছিল।
তবে মৃত্যুর পরই তাঁর রেখে যাওয়া সম্পদ ও এস্টেট এক অভাবনীয় অর্থনৈতিক রূপ লাভ করে। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, মৃত্যুর পর থেকে মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেট আয় করেছে ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ তাঁর মৃত্যুর পরের বছরগুলোতে বিভিন্ন ব্যবসায়িক চুক্তি ও স্বত্ব বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে।
তাঁর এই অর্থনৈতিক পুনরুত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বিভিন্ন বড় করপোরেট চুক্তি। ২০১৬ সালে মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেট তাদের অংশ সনির কাছে বিক্রি করে প্রায় ৭৫ কোটি ডলারের বিনিময়ে। এর মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মের বাণিজ্যিক মূল্য আরও একবার প্রমাণিত হয়।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালে তাঁর এস্টেট তাদের কাজের ৫০ শতাংশ অংশীদারত্ব পুনরায় সনির কাছে বিক্রি করে প্রায় ৬০ কোটি ডলারে। এই ধারাবাহিক চুক্তিগুলোর ফলে তাঁর রেখে যাওয়া এস্টেটের আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী হয়েছে এবং এটি বিশ্বের অন্যতম লাভজনক মৃত শিল্পীর সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে।
ফোর্বসের সাম্প্রতিক তালিকা ও বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ বছরে তাঁর এস্টেটের আয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এসব হিসাব থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, জীবদ্দশার ঋণ ও সংকট পেরিয়ে মাইকেল জ্যাকসনের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য মৃত্যুর পরেও সমানভাবে বিস্তার লাভ করেছে।








