ভাষা শেখার অ্যাপ ও গবেষণার তথ্য
ডুয়োলিঙ্গো ও ব্যাবেলের মতো ভাষা শেখার অ্যাপগুলো নানা কৌশলে পাঠদান করলেও ৮৭ শতাংশ ব্যবহারকারী এক বছরের মধ্যে তা ছেড়ে দেন। বিশেষজ্ঞরা এই অ্যাপগুলোর সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বর্তমান সময়ে ভাষা শেখার জন্য ডুয়োলিঙ্গো ও ব্যাবেলের মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অ্যাপগুলো সাধারণত ভাষাকে অত্যন্ত ছোট ছোট ও খেলার মতো আকর্ষণীয় পাঠে ভাগ করে ব্যবহারকারীদের সামনে উপস্থাপন করে থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে ভাষা শেখার প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারেন বলে জানা যায়।
এই ধরনের ডিজিটাল মাধ্যমগুলোর একটি অন্যতম প্রধান কার্যকারিতা হলো 'স্পেসড প্র্যাকটিস' বা নির্দিষ্ট বিরতিতে অনুশীলনের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘস্থায়ীভাবে নতুন ভাষা মনে রাখতে পারেন এবং নিয়মিত চর্চার মধ্যে থাকতে পারেন। ভাষা শিক্ষার এই আধুনিক পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে বহু মানুষের কাছে বেশ সাড়া জাগিয়েছে এবং পপুলারিটি অর্জন করেছে।
তবে এত সব সুবিধার পরেও এই অ্যাপগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও গবেষণা রয়েছে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই ধরনের ভাষা শেখার অ্যাপ ব্যবহার শুরু করার পর প্রায় ৮৭ শতাংশ ব্যবহারকারীই মাত্র এক বছরের মধ্যে অ্যাপ ব্যবহার চিরতরে ছেড়ে দেন। এই উচ্চ হার অ্যাপগুলোর দীর্ঘমেয়াদী ধরে রাখার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
এই পুরো বিষয়টির ওপর আলোকপাত করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ তাদের মতামত ও গবেষণা তুলে ধরেছেন। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে নর্দার্ন অ্যারিজোনা ইউনিভার্সিটির গবেষক লিউক প্লনস্কি যুক্ত রয়েছেন। এছাড়া ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক গিলিয়ান লর্ড এবং হাওয়াই ইউনিভার্সিটির গবেষক ড্যানিয়েল ইসবেলও এই গবেষণা ও মতামতের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন।
প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন এবং পেক্সেলস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভাষা শেখার এই ডিজিটাল মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই অ্যাপগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদে এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।








