ভারতে ২০ রুপি ঘুষ মামলায় তিন দশক পর দুই কর্মচারী খালাস
১৯৯৬ সালের একটি ঘুষ মামলায় গুজরাট সরকারের দুই কর্মচারীর সাজা বাতিল করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া ও অতুল এস চান্দুরকরের বেঞ্চ এই রায় দেন। দীর্ঘ তিন দশক পর এই আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দীর্ঘ তিন দশক পর গুজরাট সরকারের দুই কর্মচারীর সাজা বাতিল করে তাদের সম্পূর্ণ খালাস দিয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুজরাটের আনন্দ জেলার বেচারি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে সংঘটিত একটি ঘটনার জেরে এই আইনি প্রক্রিয়ার সূত্রপাত হয়েছিল।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওই ঘটনাটিতে গুজরাট সরকারের দুই কর্মচারীকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন কেরানি এবং অন্যজন পিয়ন। সে সময় দুর্নীতি দমন ব্যুরো (এসিবি) এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।
এই মামলাটিতে মূলত ২০ রুপি ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এছাড়া বিচারিক প্রক্রিয়া ও তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে ১২০ রুপি, ১০০ রুপি এবং ২০০ রুপির মতো বিভিন্ন অংকের আর্থিক হিসাবের প্রসঙ্গও সামনে এসেছিল।
নিম্ন আদালত ও পরবর্তীতে গুজরাট হাইকোর্টের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে মামলাটি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে গড়ায়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সর্বোচ্চ আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া এবং অতুল এস চান্দুরকরের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ বেঞ্চ এই রায় দেন। বেঞ্চের দুই বিচারপতির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে অভিযুক্ত ওই দুই কর্মচারীর সাজা বাতিল করা হয়।
১৯৯৬ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ বিচারিক লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে সুপ্রিম কোর্ট তাদের খালাস দেওয়ায় প্রায় তিন দশক পর স্বস্তি পেলেন সংশ্লিষ্টরা। এই রায় ভারতের বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা ও দুর্নীতির মামলার আইনি পর্যালোচনার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








