ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে একাডেমিক ইন্টেগ্রিটি কনক্লেভ অনুষ্ঠিত
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সম্প্রতি ‘একাডেমিক অ্যান্ড রিসার্চ ইন্টেগ্রিটি কনক্লেভ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধ এবং নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা করেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষকেরা।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঢাকার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি মাল্টিপারপাস হলে সম্প্রতি ‘একাডেমিক অ্যান্ড রিসার্চ ইন্টেগ্রিটি কনক্লেভ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির আয়েশা আবেদ লাইব্রেরির উদ্যোগে আয়োজিত এই কনক্লেভে জ্ঞান সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিল টার্নিটিন। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়াতে এবং একাডেমিক সততা বজায় রাখতে এই কনক্লেভের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৈতালি মিত্র, মোহাম্মদ আবদুল বাসিত, মামুন আহমেদ, রাশেদা কে চৌধূরী, এ এফ এম ইউসুফ হায়দার, আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, শামসাদ মর্তুজা, ম. তামিম, সাইয়েদ চৌধুরী, কাওসার আফসানা, স্বাক্ষর শতাব্দী, হাসিনা আফরোজ এবং মোহাম্মদ খায়রুল বাশার।
কনক্লেভে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, টার্নিটিন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব), ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি), কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটি এবং ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ।
অনুষ্ঠানে গবেষণার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়। জানানো হয় যে, ২০২০ সালের তুলনায় বর্তমানে গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের হার প্রায় ৮০ গুণ বেড়েছে। এ ছাড়া ইউক্রেনকেন্দ্রিক একটি নেটওয়ার্ক থেকেই দেড় হাজারের বেশি জাল গবেষণাপত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব নিয়ে কনক্লেভে বিশেষ আলোচনা হয়। এ বিষয়ে মোহাম্মদ আবদুল বাসিত বলেন, “এআইয়ের যুগে চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধে আমাদের ভাবতে হবে। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে অবশ্যই পেশাদারত্ব ও পক্ষপাতহীন থাকতে হবে।”
এআইয়ের ব্যবহার প্রসঙ্গে মামুন আহমেদ বলেন, “এআইকে নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে এর দায়িত্বশীল, নীতিগত ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।” বক্তারা গবেষণা ক্ষেত্রে নৈতিকতা বজায় রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন।








