ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহকে প্রোগ্রাম না করার হুঁশিয়ারি রফিকুল ইসলাম মাদানীর
হাসনাত আবদুল্লাহকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। অন্যথায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোনো প্রোগ্রাম করতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহকে কোনো ধরনের প্রোগ্রাম করতে না দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। ২৯ আগস্ট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচিত বিভিন্ন বিষয়ের প্রেক্ষাপটে তার এই বক্তব্য সামনে এসেছে।
ফেসবুক পোস্টে রফিকুল ইসলাম মাদানী হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তার দেওয়া একটি নির্দিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে। একই সঙ্গে তাকে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করারও আহ্বান জানান এই মাদরাসা ব্যক্তিত্ব। এই শর্ত পূরণ না হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে তাকে কোনো কর্মসূচি বা প্রোগ্রাম করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
পোস্টে নিজের এই হুঁশিয়ারির কথা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, 'ঐ বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ না করলে বি-বাড়িয়ায় কোনো প্রোগ্রাম করতে পারবে না—এটা পারবে না লিখে রাখেন, ফাইনাল।' তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে মতপার্থক্য এবং উত্তেজনার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সংযত আচরণের ওপরও জোর দিয়েছেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, 'আমরা নায়েবে নবী, আমাদের প্রতিবাদও সুন্দর হওয়া চাই।' এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি তার অনুসারী ও সমর্থকদের প্রতিবাদের ভাষায় শালীনতা বজায় রাখার তাগিদ দিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের বক্তব্য ও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে। রফিকুল ইসলাম মাদানীর এই ফেসবুক পোস্ট এবং হাসনাত আবদুল্লাহকে দেওয়া হুঁশিয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া তথা স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।








