বুটেক্সের ২০২৬-২৭ শিক্ষابর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ২৯ জানুয়ারি
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারি এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১১টি বিভাগ রয়েছে এবং মোট ৬৩০টি আসনে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম বিশেষায়িত এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া সামনে রেখে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারি বুটেক্সের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীরা এখন এই নির্দিষ্ট তারিখ সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ১১টি বিভাগ রয়েছে। এসব বিভাগের অধীনে মোট ৬৩০টি আসনে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রতিটি বিভাগে নির্ধারিত আসন সংখ্যার বিপরীতে শিক্ষার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে থাকেন।
বুটেক্সের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আসন বিন্যাসের তথ্য অনুযায়ী, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০টি, ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০টি, ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০টি এবং অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০টি আসন রয়েছে।
এ ছাড়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ৮০টি, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগে ৪০টি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০টি এবং টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগে ৪০টি আসন নির্ধারিত রয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছে ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ৪০টি, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ৪০টি এবং টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ যেখানে ৩০টি আসন রয়েছে। সব মিলিয়ে ১১টি বিভাগে মোট ৬৩০টি আসনে এই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এদিকে, সামগ্রিক এই ভর্তি প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছে চলতি শিক্ষাবর্ষের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। জানা গেছে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফল প্রকাশের পরই ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








