মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

বিজ্ঞান প্রকাশনায় বাড়ছে বাণিজ্যিক চাপ ও খরচের বোঝা

ওপেন-অ্যাক্সেস বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে নিবন্ধ প্রকাশের উচ্চ ফি এবং ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়ন পদ্ধতি গবেষকদের জন্য বড় আর্থিক বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের গবেষকেরা এতে বেশি বিপাকে পড়ছেন।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

বিজ্ঞান প্রকাশনায় বাড়ছে বাণিজ্যিক চাপ ও খরচের বোঝা
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বিজ্ঞান প্রকাশনার বাণিজ্যিকীকরণ এবং উচ্চ মাত্রার আর্টিকেল প্রসেসিং চার্জ বা এপিসি (APC) গবেষকদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ওপেন-অ্যাক্সেস বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে গবেষণাপত্র প্রকাশ করতে গিয়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর গবেষকদের বড় ধরনের আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বাংলাদেশের গবেষকেরাও এই বৈশ্বিক সমস্যার বাইরে নন, বরং তাদের জন্য এটি অত্যন্ত বড় একটি আর্থিক বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বর্তমান একাডেমিক মূল্যায়ন ব্যবস্থায় গবেষকদের কাজের মান যাচাইয়ের জন্য ত্রুটিপূর্ণ মেট্রিকস বা সূচক ব্যবহার করা হয়, যা এই বাণিজ্যিক ব্যবস্থাকে আরও উৎসাহিত করছে। এই ত্রুটিপূর্ণ কাঠামোর কারণে গবেষকেরা মর্যাদাপূর্ণ জার্নালে লেখা প্রকাশ করতে বাধ্য হন, যেখানে প্রকাশের খরচ আকাশচুম্বী। ফলে মেধার চেয়ে গবেষকের আর্থিক সক্ষমতা অনেক সময় বড় হয়ে দাঁড়ায়।

বাণিজ্যিক প্রকাশনার এই বাস্তবতায় বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত প্রকাশনা সংস্থাগুলোর উচ্চ ফি নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। এই খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে একটিমাত্র গবেষণাপত্র প্রকাশের জন্য প্রায় ৯ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অঙ্কের পরিমাণ ১১ লাখ টাকার বেশি।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞান সাময়িকীগুলোতে খরচের এই তারতম্য গবেষকদের বাজেটকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে। কিছু ক্ষেত্রে প্রকাশনা ফি ৩ হাজার ২৮০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। অন্যদিকে তুলনামূলক কম খরচের বা বিকল্প কিছু সুযোগের ক্ষেত্রে ৬৮০ ডলারেও গবেষণাপত্র প্রকাশের নজির রয়েছে, যা সামগ্রিক প্রকাশনা ব্যবস্থার চড়া খরচের চিত্রটি ফুটিয়ে তোলে।

এই উচ্চ খরচের অভিজ্ঞতা বাস্তবেও প্রতিফলিত হয়েছে। এই প্রবন্ধ বা মতামতের লেখক নিজেই বিশ্বখ্যাত শীর্ষস্থানীয় প্রকাশক সংস্থার জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করতে গিয়ে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। লেখক ওয়াইলি-ভিসিএইচ (Wiley-VCH) এর স্মল (Small) এবং সেল প্রেস (Cell Press)-এর আইসায়েন্স (iScience) নামক শীর্ষস্থানীয় দুটি গবেষণা জার্নালে দুটি গবেষণাপত্র সফলভাবে প্রকাশ করেছেন।

তবে এই ধরনের স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় জার্নালে গবেষণা প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলাদেশের মতো দেশের গবেষকদের যে আর্থিক ও কাঠামোগত লড়াই করতে হয়, তা এই বৈষম্যমূলক প্রকাশনা ব্যবস্থারই প্রতিফলন। ওপেন-অ্যাক্সেস নীতির আড়ালে চলা এই বাণিজ্যিকীকরণ রোধ করা না গেলে বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জ্ঞানচর্চা থেকে উন্নয়নশীল দেশের গবেষকেরা ক্রমান্বয়ে পিছিয়ে পড়বেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
২০২৭ সালের এসএসসি ও দাখিলে ১৩ বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নব্রেকিং
শিক্ষা

২০২৭ সালের এসএসসি ও দাখিলে ১৩ বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্ন

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় ১৩টি বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্র প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হলেও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে।

১ মিনিট পড়া
ভাষার প্রকৃতি ও অর্থ নিয়ে মননশীল আলোচনা
শিক্ষা

ভাষার প্রকৃতি ও অর্থ নিয়ে মননশীল আলোচনা

ভাষা, শব্দ, অর্থ এবং ধ্বনিবিজ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ভাষা ও শব্দের বিভিন্ন তাত্ত্বিক দিক তুলে ধরা হয়েছে। প্রথিতযশা ভাষাবিদ ও চিন্তাবিdদের তত্ত্বের আলোকে ভাষার গভীর নানা দিক আলোচিত হয় এই আয়োজনে।

১ মিনিট পড়া
যুক্তরাষ্ট্রে ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বিজিএসএ-এর যাত্রা শুরু
শিক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রে ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বিজিএসএ-এর যাত্রা শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশি গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএসএ) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট সেন্টারে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

১ মিনিট পড়া
হুইলচেয়ারে চড়ে পাঠদান করছেন শিক্ষক অপূর্ব লাল মণ্ডল
শিক্ষা

হুইলচেয়ারে চড়ে পাঠদান করছেন শিক্ষক অপূর্ব লাল মণ্ডল

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বামুন্দী বালিয়াকান্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক অপূর্ব লাল মণ্ডল দুই পায়ে শক্তি হারিয়ে গত ১০ বছর ধরে হুইলচেয়ারে করে বিদ্যালয়ে যাতায়াত ও পাঠদান পরিচালনা করছেন। ১৯৯৯ সালে শিক্ষকতা পেশায় আসা এই শিক্ষক দৃঢ় মনোবল নিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় স্কুল চালিয়ে যাচ্ছেন।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER