বিকাশ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির ১২ বছর পূর্ণ
দেশব্যাপী বিকাশ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ বইপড়া কর্মসূচির ১২ বছর পূর্তি উদ্যাপন করা হয়েছে। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৪ লাখের বেশি বই বিতরণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০২· ১ মিনিট পড়া

দেশব্যাপী বইপড়া কর্মসূচিতে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অংশীদারত্বের ১২ বছর পূর্ণ হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ১২ বছর পূর্তি উদ্যাপন করা হয়। দীর্ঘ এই পথ চলায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানচর্চার প্রসার ঘটানো হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০১৪ সাল থেকে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই ১২ বছরের কার্যক্রমে দেশজুড়ে ৪ লাখের বেশি বই বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের ৩২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ও পাঠক উপকৃত হয়েছেন বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি বলেন, 'বিকাশ যদি এই অর্থটা অন্য জায়গায় বিনিয়োগ করতো, তাহলে হয়তো ব্যবসায়িকভাবে একটু লাভবান হতো। কিন্তু সেটা না করে এখানে করাতে বিকাশ লাভবান হয়েছে কিনা জানি না, কিন্তু জাতি লাভবান হয়েছে।'
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, 'মোবাইল ও মাদকের আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে বের করে আনতে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।' তরুণ সমাজকে বইমুখী করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বিকাশের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর। তিনি বলেন, 'টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা—এই বিশ্বাস থেকেই গত ১২ বছর ধরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিকাশ।'
উদ্যাপন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.) এবং খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান। আমন্ত্রিত অতিথিরা বিকাশ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই যৌথ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামীতেও এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত বই বিতরণ করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে দেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থী আলোকিত মানুষ হওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে বলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা মত প্রকাশ করেন।








