বাফুফের অনূর্ধ্ব-২০ দলের দুই কোচের মধ্যে হাতাহাতি, পুলিশ তলব
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার ঢাকার হোটেল হলিডে ইনে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্রিটিশ কোচ জোন্স জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ ডেকেছিলেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের অন্দরে বড় ধরণের শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটেছে। দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স এবং সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে তীব্র বিরোধ ও হাতাহাতির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের ফুটবল অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার। ওই দিন ঢাকার হোটেল হলিডে ইনে অবস্থান করছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। সেখানেই দলের দুই শীর্ষ কোচ জেরার্ড জোন্স ও আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তা হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে গড়ায়।
কোচদের মধ্যকার এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করলে ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নেন। বিরোধ মীমাংসা না হওয়ায় তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডেকে নেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।
বাফুফে বা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অধীনে থাকা এই দলের কোচদের এমন আচরণ দলের প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আসন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আগে দলের ভেতরে এমন অসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সব প্রতিকূলতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মাঝেই অবশ্য নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী দল পরিচালনা করতে হচ্ছে। আগামী ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল উজবেকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
উজবেকিস্তানে পৌঁছানোর পর দলটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে হবে। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের ম্যাচগুলো শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দলের এই সংকটময় মুহূর্তে কোচদের দ্বন্দ্ব কীভাবে সমাধান হয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।








