বাতিল হলো জরুরি ওষুধ তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি
বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রয়োজনীয় ওষুধ তালিকা ২০২৬ এবং ওষুধ মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬ বাতিল করা হয়েছে। ১৯৯৪ সাল থেকে দেশে ১১৭টি জরুরি ওষুধের জন্য মূলত কস্ট-প্লাস মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চলে আসছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতের একটি বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে সম্প্রতি প্রয়োজনীয় ওষুধ তালিকা ২০২৬ এবং ওষুধ মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬ বাতিল করা হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই বাতিলের বিষয়টি সামনে আসে, যা দেশের ওষুধ খাতের নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রიაকে প্রভাবিত করবে।
জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদ বা ন্যাশনাল ড্রাগ অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল (এনডিএসি) এবং ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এই বাতিলের ফলে ওষুধ খাতের ব্যবস্থাপনায় নতুন মোড় নিতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের ওষুধ বাজারের ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১৯৯৪ সাল থেকে মূলত একটি কস্ট-প্লাস মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে আসছে। এই পদ্ধতির আওতায় দেশের ১১৭টি জরুরি ওষুধের দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে।
ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর ছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে এই নিয়মের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়।
এর আগে দেশের ওষুধ খাতের মূল্যের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ওষুধের দামের ব্যাপকভিত্তিক বা ব্রড রিভিশন বা সংশোধন হয়েছিল ২০২২ সালে।
২০২২ সালের সেই সংশোধনের পর থেকেই ওষুধের বাজারমূল্য ও তালিকা নিয়ে নানা ধরনের পর্যবেক্ষণ চলছিল। বর্তমান তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের ফলে আগামী দিনে ওষুধ খাতের নীতিমালায় কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








