বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওয়াশ সংকট ও আদিবাসী জ্ঞান
বাংলাদেশের পাহাড়ি, উপকূলীয় ও সমতল অঞ্চলের আদিবাসীরা নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সংকটে ভুগছেন। ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই চ্যালেঞ্জ ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানের কথা উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলো নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি বা ওয়াশ (WASH) সংক্রান্ত নানা ধরনের তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। দেশের পাহাড়ি অঞ্চল, সমতলভূমি, সিলেট এবং উপকূলীয় জনপদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এই সংকটের প্রধান শিকার।
বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত জনবসতিতে নিরাপদ পানীয় জলের সুব্যবস্থা করা অত্যন্ত কঠিন একটি বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে। বিশুদ্ধ পানির এই অভাব দূর করতে এসব অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে মূলত প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে আসছে।
বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজনীয়তা মেটাতে প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠী সাধারণত প্রাকৃতিক ঝরনা বা ছড়া, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি কিংবা ছোট ছোট পাহাড়ি ও সমতল ধারার ওপর ভরসা করে জীবনযাপন করে থাকে। আদিবাসী সমাজের এই দীর্ঘদিনের জীবনযাত্রা প্রমাণ করে যে তারা সংকট উত্তরণে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ব্যবহার করছে।
অন্যদিকে, স্যানিটেশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও এসব এলাকার মানুষ চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। বাংলাদেশের সাধারণত সমতল ও প্লাবনভূমির উপযোগী করে যে প্রচলিত স্যানিটেশন প্রযুক্তিগুলো তৈরি করা হয়েছে, তা দেশের সর্বত্র সমানভাবে কার্যকর নয়।
বিশেষ করে খাড়া পাহাড়ি ঢাল কিংবা ভৌগোলিক কারণে দূরে দূরে গড়ে ওঠা বিক্ষিপ্ত বসতিগুলোর জন্য সমতল ভূমির ওই প্রচলিত স্যানিটেশন প্রযুক্তিগুলো সবসময় উপযুক্ত বা মানানসই প্রমাণিত হয় না।
নাজমুন নাহার ও মনির উদ্দিন আনিক-এর মতো সংশ্লিষ্ট গবেষক এবং দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে বাংলাদেশের আদিবাসীদের এই ওয়াশ সংকট এবং স্থানীয় প্রজ্ঞার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে। ভৌগোলিক ভিন্নতা ও প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে এই জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।








