বাংলাদেশ-ব্রাজিল ফুটবল ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা
ফিফার উইন্ডো নিয়ম এবং আসিয়ান কাপের ব্যস্ততার কারণে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, এই ম্যাচের জন্য সরকার কোনো অর্থ দেবে না। তবে স্পন্সর পাওয়া গেলে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ ও ব্রাজিল ফুটবল ম্যাচ আয়োজন নিয়ে বর্তমানে তৈরি হয়েছে এক ধরনের অনিশ্চয়তা। ফিফার আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডার এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বাফুফের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ব্যস্ততার কারণে এই ম্যাচটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ফিফার নতুন নিয়ম এবং আসিয়ান কাপের ম্যাচ সূচির কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
ফিফার আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের আলাদা দুটি উইন্ডো একত্রিত করে ১৬ দিনের একটি দীর্ঘ উইন্ডো করা হয়েছে। এই বিশেষ উইন্ডোটি ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী একটি দল সর্বোচ্চ চারটি ম্যাচ খেলতে পারবে।
এই দীর্ঘ উইন্ডোর সময়টিতেই বাংলাদেশ ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিচ্ছে। এই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। আসিয়ান কাপের এই ম্যাচগুলোর পাশাপাশি ফিফার উইন্ডোর চার ম্যাচের সীমার মধ্যে থেকে ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাফুফের জন্য।
এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচটির আর্থিক দিক নিয়েও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন যে, এই ম্যাচের জন্য সরকার কোনো অর্থ দিতে পারবে না। তবে যদি পরবর্তীতে কোনো স্পন্সর ম্যানেজ করা সম্ভব হয়, তবে সেটি একটি আলাদা কথা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য যে, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মতো দেশগুলোর বিপক্ষেও ম্যাচ খেলার বিষয়টি এর আগে আলোচনায় এসেছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিফার বেঁধে দেওয়া চার ম্যাচের সীমা এবং আসিয়ান কাপের ব্যস্ততার মাঝে ব্রাজিল বা অন্যান্য দলের বিপক্ষে ম্যাচগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সব মিলিয়ে, ফিফা উইন্ডোর ১৬ দিনের দীর্ঘ মেয়াদ, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবরের সময়সীমা এবং সর্বোচ্চ চারটি ম্যাচ খেলার নিয়মের কারণে বাফুফের পরিকল্পনা এখন বেশ কড়া সমীকরণের মধ্যে পড়েছে। এর ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় স্পন্সরদের ওপরই এখন নির্ভর করছে এই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের ভাগ্য।








