বয়স্কদের দক্ষতা ও পেনশন সংস্কার নিয়ে নতুন মতামত প্রকাশ
বাংলাদেশে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর হার বাড়ছে এবং তাদের সুরক্ষায় জাতীয় প্রবীণ দক্ষতা রেজিস্ট্রি ও পেনশন সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তাসনুমা আক্তার ও জাহিন সিদ্দিকীর লেখা একটি মতামত নিবন্ধে এসব বিষয় উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সম্প্রতি দেশের একটি দৈনিকে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে জাতীয় প্রবীণ দক্ষতা রেজিস্ট্রি তৈরির পাশাপাশি পেনশন ব্যবস্থায় সংস্কার আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে। দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকায় ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই নিবন্ধটি যৌথভাবে লিখেছেন তাসনুমা আক্তার ও জাহিন সিদ্দিকী। তারা দুজনেই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
নিবন্ধটিতে দেশের বয়স্ক নাগরিকদের আর্থসামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের অনুপাত প্রায় ১০ শতাংশ। এর পাশাপাশি, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)-এর প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে এই প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ হবে।
প্রবীণদের সুরক্ষা এবং দেশের সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বর্তমান চিত্রও এই নিবন্ধে তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরা দেশের মোট শ্রমজীবীর ৮০ শতাংশের বেশি অংশজুড়ে রয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে ২০২৩ সালে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা হয়, যার আওতায় অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সামাজিক নিরাপত্তার অন্যান্য সূচকের মধ্যে রয়েছে সরকারের বিশেষ ভাতা কর্মসূচি। চলতি বছরের শুরুতে বয়স্ক ভাতার পরিমাণ মাসিক ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই ভাতার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে দেশের ৬২ লাখ মানুষ এই সুবিধার আওতায় এসেছেন।
বয়স্ক জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন এবং তাদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কথাও নিবন্ধটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি বয়স্ক বাংলাদেশিকে আয়বর্ধক কাজের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এছাড়া, দেশের নাগরিকদের সামাজিক সুরক্ষার তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি রয়েছে, যেখানে চার কোটি সুবিধাভোগীর তথ্য সংরক্ষিত আছে।








