বনানীর সাইবার প্রতারণা মামলায় কাকন রানার ৬ দিনের রিমান্ড
প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ও এপিএস-২ এর ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রফাইল ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে করা মামলায় কাকন রানার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার আদালত। ২৩ আগস্ট বনানী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ও এপিএস-২ এর ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রফাইল ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কাকন রানার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ২৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। বনানী থানায় দায়ের করা একটি সাইবার প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের মামলায় তাকে এই রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২৩ আগস্ট বনানী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার পর আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিরা হলেন তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, আবদুর রহমান সানি, জশিতা ইসলাম, মোক্তার হোসেন, মো. বিপুল হোসেন, আতিকুর রহমান রুমন এবং মো. মইনুল ইসলাম রনি।
তদন্তের অংশ হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামiniকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা আসামির সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে ডিএমপির সিটিটিসি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। এছাড়া এই মামলার সামগ্রিক কার্যক্রমের সাথে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং প্রসিকিউশন বিভাগ যুক্ত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে রাজধানী ঢাকার বনানী এলাকায়। ২৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখের এই আদালতের আদেশের পর মামলার তদন্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। ভুয়া প্রফাইল খুলে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের এই ঘটনার সাথে জড়িত বাকিদের বিষয়েও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের হওয়া এই মামলার প্রতিটি দিক গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রিমান্ডে থাকা কাকন রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যদের তথ্য বের করার চেষ্টা করা হবে।








