বনশ্রীতে শেল্টেক্ লিগ্যাসি প্লাজা প্রকল্পের বিক্রয় কার্যালয় উদ্বোধন
ঢাকার বনশ্রীতে ১৭ তলা বিশিষ্ট শেল্টেক্ লিগ্যাসি প্লাজা প্রকল্পের নিজস্ব বিক্রয় কার্যালয় উদ্বোধন ও আনুষ্ঠানিক বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই বাণিজ্যিক ভবনের নকশা তৈরি করেছে ইকে আর্কিটেক্টস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বনশ্রীতে শেল্টেক্ লিগ্যাসি প্লাজা প্রকল্পের নিজস্ব বিক্রয় কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক বিক্রয় কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। আবাসন ও নির্মাণ খাতের পরিচিত প্রতিষ্ঠান শেল্টেক্ (প্রা.) লিমিটেড এবং শেল্টেক্ গ্রুপের উদ্যোগে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বনশ্রীর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং বিনিয়োগকারীরা এখন থেকে এই নিজস্ব বিক্রয় কার্যালয় থেকেই প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে এবং বুকিং সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রকল্পটির বিক্রয় কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো, যা এই এলাকার বাণিজ্যিক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেল্টেক্ লিগ্যাসি প্লাজা একটি ১৭ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন হবে। নান্দনিক ও যুগোপযোগী এই ভবনটির স্থাপত্য নকশা তৈরি করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ইকে আর্কিটেক্টস। নিখুঁত পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রকৌশলবিদ্যার সমন্বয়ে ভবনটির নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে।
বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগী করে এই ১৭ তলা ভবনটির বিন্যাস করা হয়েছে। ভবনের ভেতরে থাকবে আধুনিক শপিং মল, করপোরেট ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত অফিস স্পেস। এছাড়া দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের সুবিধার জন্য থাকবে ফুড কোর্ট ও মানসম্মত রেস্তোরাঁ। সামাজিক অনুষ্ঠান ও নানা আয়োজনের জন্য থাকছে সুপরিসর ব্যাঙ্কোয়েট হল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেল্টেকের পক্ষ থেকে প্রকল্পটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়। এ সময় শেল্টেক (প্রা.) লিমিটেড ও শেল্টেক্ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি তানভীর আহমেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তব্যে তানভীর আহমেদ বলেন, "শেল্টেক্ লিগ্যাসি প্লাজা শুধু একটি বাণিজ্যিক ভবন নয়, ঢাকার বুকে বনশ্রীকে নিজস্ব একটি পরিচিতি এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। আমরা এমন একটি প্রকল্প গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ব্যবসার পাশাপাশি পরিবার ও কমিউনিটির মানুষ একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।"
বনশ্রীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও ক্রমবর্ধমান এলাকায় এ ধরনের একটি সর্বাধুনিক বাণিজ্যিক ভবনের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। শপিং, ডাইনিং এবং অফিশিয়াল কার্যক্রম একই ছাদের নিচে পাওয়ার সুবিধা এই প্রকল্পটিকে বনশ্রীর একটি অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








