বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এপিইউবি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো এবং একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালুর ওপর জোর দিয়েছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। এই উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাতে দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং এর সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো এবং একটি কার্যকরী ও যুগোপযোগী সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালুর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আলোচনাকালে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার রূপরেখা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, 'আমাদের সাহিত্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান ও প্রয়োজন—সবকিছু মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।'
দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, 'ভোকেশনাল ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার ওপর আমাদের আরও জোর দিতে হবে। যাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি করে আরও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।'
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন বিষয়ক আলোচনায় বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মো. সবুর খান, বেনজীর আহমেদ, কে বি এম মঈন উদ্দিন চিশতি, কায়ুম রেজা চৌধুরী, আব্দুল কাসেম হায়দার, কাজী জাহেদুল হাসান, নওশাদ শামসুল আরেফিন এবং বেলাল আহমেদ।
সাক্ষাৎ শেষে দেশের উচ্চশিক্ষা ও সামগ্রিক শিক্ষাক্ষাতের মানোন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সুদৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।








