ফ্রান্সে শুরু হচ্ছে যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘দ্য অরেঞ্জ’র শুটিং
বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র ‘দ্য অরেঞ্জ’ বা ‘পথের বন্ধু’র শুটিং শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ১৫ অক্টোবর প্যারিসে ক্যামেরা চালুর মধ্য দিয়ে ছবিটির চিত্রায়ণ শুরু হবে, যা চলবে আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য অরেঞ্জ’। ছবিটির বাংলা নাম রাখা হয়েছে ‘পথের বন্ধু’। বহুল প্রতীক্ষিত এই যৌথ প্রযোজনার ছবিটির শুটিংয়ের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পরিচালক স্বপন আহমেদ পরিচালিত এটি তাঁর তৃতীয় চলচ্চিত্র। এর আগে তিনি ‘লাল টিপ’ ও ‘পরবাসিনী’ নামের দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। নতুন এই ছবিটি নিয়ে নির্মাতা বেশ আশাবাদী এবং দীর্ঘ দিন ধরে এর গল্প নিয়ে কাজ করেছেন।
চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে আগামী ১৫ অক্টোবর প্যারিসে এবং এই চিত্রায়ণ চলবে আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত। প্যারিসসহ ফ্রান্সের ২৫টি শহরে ছবিটির শুটিং সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে শুটিংয়ের অংশ নিতে ছবির কলাকুশলীরা আগামী ১১ অক্টোবর ঢাকা থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা হবেন।
‘দ্য অরেঞ্জ’ বা ‘পথের বন্ধু’ চলচ্চিত্রে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন ফাইজুল ইয়ামিন ও স্বর্ণালী চৈতী। এই দুই তারকার অভিনয় নিয়ে নির্মাতাসহ সংশ্লিষ্টরা বেশ আশাবাদী।
বাংলাদেশ থেকে ছবিটি প্রযোজনা করছে শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড। এই তথ্য প্রথম আলোর প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
ছবিটি সম্পর্কে পরিচালক স্বপন আহমেদ বলেছেন, ‘আমি যে ধরনের সিনেমা দেখি, যে ধরনের সিনেমায় বিশ্বাস করি এবং বানাতে চাই, “দ্য অরেঞ্জ” বা “পথের বন্ধু” সে রকমই একটি চলচ্চিত্র। বলতে পারেন, একজন নির্মাতা হিসেবে এটি আমার মনের মতো একটি গল্প। অনেক দিন ধরে ছবিটির গল্প নিয়ে কাজ করছি। অবশেষে শুটিং শুরু করতে যাচ্ছি ভেবে স্বস্তি পাচ্ছি।’
ফ্রান্সের শুটিংয়ের পরিধি ও লোকেশন সম্পর্কে পরিচালক আরও বলেন, ‘ট্যুরিস্ট পোস্টকার্ডের মতো ফ্রান্সকে না দেখিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ফ্রান্সকে তুলে আনতে চাইছি। তাই অনেক লোকেশনই বাস্তব—রাস্তাঘাট, বাজার, ছোট শহর, গ্রাম ও উপকূল। তিনজন অভিবাসী মানুষের যাত্রার সঙ্গে শহর থেকে গ্রাম, তারপর সমুদ্র—ফ্রান্সের ভিন্ন ভিন্ন ল্যান্ডস্কেপও গল্পের অংশ হয়ে উঠবে।’
চলচ্চিত্রটির সঙ্গে যুক্ত শিল্পী ও কুশলীদের মধ্যে অন্যতম তৌকীর আহমেদ ছবিটির ভাবনা নিয়ে বলেন, ‘আমি নিজে যে ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণে বিশ্বাস করি, যে সিনেমা মানুষকে ভাবতে ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সাহায্য করে, প্রশ্ন তুলতে শেখায়, এটি ঠিক সে রকম একটি সিনেমা।’








