পবিপ্রবিতে ১ শিক্ষক ও ৭ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ জন শিক্ষক ও ৭ জন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এই আদেশে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন বিষয়ের প্রেক্ষাপটে শাস্তিমূলক বা ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ১ জন শিক্ষক ও ৭ জন কর্মকর্তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
<প>বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুনের অংশ হিসেবে এই কারণ দর্শানোর নোটিশের বিষয়টি সামনে আসে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন থেকেই এই নির্দেশনাসংবলিত আদেশ জারি করা হয়।<প>পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন এই কারণ দর্শানোর নোটিশের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। তাঁর দাপ্তরিক স্বাক্ষর ও অনুমোদনের মাধ্যমেই নোটিশটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।<প>জারি করা আদেশে নোটিশপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে আনীত বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা চেয়ে সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে এই নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্টদের তাদের ব্যাখ্যা পেশ করতে হবে।<প>যাঁদের বিরুদ্ধে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের মধ্যে শিক্ষক ও কর্মকর্তা উভয় ক্যাটাগরির ব্যক্তিরা রয়েছেন। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ জন শিক্ষক এবং ৭ জন কর্মকর্তাকে এই কারণ দর্শানোর নোটিশের আওতায় আনা হয়েছে।<প>বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে এই নোটিশ জারির বিষয়টি এখন একটি আলোচিত ঘটনা।







