ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ভবন উদ্বোধন
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় চিকিৎসক, রোগী ও স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ভবন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৩ আগস্ট শনিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নতুন ভবনটির উদ্বোধন করা হয়। দেশের চিকিৎসাসেবা খাতের পরিধি বাড়াতে এবং স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এই বিশেষায়িত নতুন ভবনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ডা. জুবাইদা রহমান, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃপক্ষ সম্পৃক্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিকিৎসাসেবা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, চিকিৎসার পরিবেশ নির্বিঘ্ন করতে সব দায়িত্ব চিকিৎসকের একক নয়। চিকিৎসক, রোগী এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা সম্মান এবং সহানুভূতির সম্পর্ক থাকা বজায় থাকা জরুরি।
শিশুদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। ‘সুস্থ্য আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব এবং কর্তব্য।
অনুষ্ঠানে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সম্প্রসারণ নিয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু চিকিৎসার আধুনিকায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত নিশ্চিত তথ্য অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লায় পাঁচটি বিশেষায়িত ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন এই ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ভবন চালুর ফলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ধারণক্ষমতা ও সেবা দেওয়ার সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত স্নায়ুরোগী ও তাদের স্বজনেরা আরও সহজে এবং উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








