নি হাও চায়না রচনা প্রতিযোগিতায় ড. ছাইয়েদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্থান অর্জন
রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে 'নি হাও চায়না রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৬'-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে 'চীনের শাসন ও উন্নয়ন মডেল' বিভাগে দ্বিতীয় পুরস্কার অর্জন করেছেন ড. মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম। অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাই (এবিসিএ) এবং ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস যৌথভাবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে গত সোমবার 'নি হাও চায়না রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৬'-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষকদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। অনুষ্ঠানটিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
উক্ত প্রতিযোগিতায় ড. মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি 'নি হাও চায়না রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৬'-এর অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ 'চীনের শাসন ও উন্নয়ন মডেল' বিভাগে দ্বিতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন। তার এই অর্জন দেশের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি।
উল্লেখ্য যে, এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাই (এবিসিএ) এবং ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস। দুই দেশের মধ্যকার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
অনুষ্ঠানে ড. মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলামের এই সাফল্য প্রসঙ্গে বলা হয়, এই স্বীকৃতি তাকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক শক্তিশালীকরণের কাজ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে। তার এই অর্জনে সংশ্লিষ্ট অঙ্গনে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
অনুষ্ঠানে ড. মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম ছাড়াও ড. মো. শাহাবুল হক, ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, লি শাওপেং এবং মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বারিকের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তি ও গবেষকদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাই (এবিসিএ), চীনা দূতাবাস, ঢাকা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সানমিং বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্দোনেশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অফ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স-এর নাম এই পুরো আয়োজনের সাথে যুক্ত রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের রচনা প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের ভিতকে আরও বেশি মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ড. মো. ছাইয়েদুল ইসলামের মতো গবেষকদের সাফল্য দুই দেশের সুসম্পর্ককে সামনের দিনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








