নভোথিয়েটারে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার শুরু ১২ সেপ্টেম্বর
রাজধানীর নভোথিয়েটারে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬'। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মেলায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন নিবন্ধনের শেষ সময় আগামী ২৫ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর নভোথিয়েটারে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬'। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের ব্যবস্থাপনায় এই বিশেষ মেলাটির আয়োজন করা হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর ও সৃজনশীলতার এই মেলাটি আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে। দেশের উদীয়মান উদ্ভাবকদের সর্বসমক্ষে তুলে ধরতে এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এই মেলায় অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। আয়োজকদের পক্ষ से জানানো হয়েছে যে, মেলায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন নিবন্ধনের শেষ সময় আগামী ২৫ আগস্ট, ২০২৬। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব আগ্রহী উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। তাঁর উপস্থিতি এই আয়োজনকে আরও বেশি গুরুত্ববহ করে তুলবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। দেশের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে মেলাটি একটি জাতীয় উৎসবে রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আসন্ন এই মেলায় ১৪টি উদ্ভাবন খাতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এসব খাতের আওতায় শতাধিক উদ্ভাবন এবং ৫০টির বেশি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ ও অভিজ্ঞ গবেষকদের অভিনব সব সৃষ্টি এই মেলায় এক ছাদের নিচে দেখতে পাবেন দর্শনার্থীরা।
শুধু প্রদর্শনীই নয়, মেলাজুড়ে জ্ঞানবিনিময় ও মতামতের জন্য ১০টির বেশি সেশন ও সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। এসব সেশনে দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণা খাতের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন। এছাড়া মেলায় ১০টির বেশি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে তরুণ উদ্ভাবকদের দিকনির্দেশনা দেবেন।
মেলাটিকে সর্বাঙ্গীন সফল করতে দেশের শিক্ষা ও করপোরেট খাত একযোগে কাজ করছে। এই আয়োজনে ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি ৫০টির বেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানও এই মেলায় অংশ নিচ্ছে, যা শিল্প ও একাডেমিয়ার মেলবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।








