নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা
শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে নবনিযুক্ত চার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সুরা ফাতেহা পাঠ করেছেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও দলের ইতিহাস তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে নবনিযুক্ত চার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বিকেল ৩টার দিকে রাজধানী ঢাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করা এই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা আনুষ্ঠানিকভাবে জিয়ার ও খালেদার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং পবিত্র সুরা ফাতেহা পাঠ করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এই শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, যিনি একই সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এবং বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম হায়দার লিংকন। দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ চার নীতিনির্ধারক ও মন্ত্রী একসঙ্গে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমের সূচনা করেন।
সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. আব্দুল মঈন খান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের ইতিহাসের এক কঠিন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের ভোটে দেশের হাল ধরেছেন। বর্তমান এই ক্রান্তিলগ্নে তারেক রহমানের নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ড. মঈন খান তার বক্তব্যে আরও স্মরণ করেন যে, অতীতে বহুবার দেশের গণতন্ত্রের পথচলা ব্যাহত হলেও বিএনপি তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও দলটি সবসময় গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে অবিচল ছিল এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে গেছে।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আশির দশকে সংকটের সময় বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে আপসহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হন এবং পরে ১৯৯১ সালে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম দেশের গণতন্ত্র সুরক্ষায় অনন্য অবদান রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের এই শ্রদ্ধা নিবেদন ও মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনকালীন রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের একটি দৃশ্যমান বার্তা প্রকাশিত হয়েছে। দেশের এই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শহীদ রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শ ও দলের প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ ঘটিয়েছেন।








