দেশের সব নাগরিকের জন্য আসছে নতুন 'এক-আইডি' পরিচয়পত্র
দেশের সব নাগরিকের জন্য 'এক-আইডি' নামক নতুন একক পরিচয়পত্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল মেয়াদী এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশের সব নাগরিকের জন্য 'এক-আইডি' (Unified Digital Identity) নামক নতুন একক পরিচয়পত্র চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি নতুন পরিচয়পত্র তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যা দেশের সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য হবে।
এই পরিচয়পত্র তৈরির জন্য 'ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার)' নামের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। এর নির্ধারিত সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত।
প্রকল্পের সার্বিক ব্যয় ও অর্থায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা গেছে। এই পুরো প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার নিজে দেবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বাকি অর্থ অর্থাৎ ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আসবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে।
প্রকল্পের বিভিন্ন খাতের ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, কার্ডের উৎপাদন, মুদ্রণ ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণে খরচ ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উৎপাদন, মুদ্রণ, বিতরণ ও সরবরাহ মিলিয়ে প্রতিটি কার্ডে ব্যয় হবে ৩৬৯ টাকা। সুনির্দিষ্টভাবে কার্ডের বিতরণ ও সরবরাহে খরচ ধরা হয়েছে ১ ডলার, অর্থাৎ ১২৩ টাকা।
এছাড়াও প্রকল্পটির আওতায় অন্যান্য কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড তৈরি ও তথ্য সংগ্রহে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা এবং কৃষক কার্ড দিতে খরচ হবে ৬৮১ কোটি টাকা।
এই উদ্যোগের নেপথ্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রথম আলোতে তথ্য উঠে এসেছে। এ বিষয়ে মামুনুর রশীদ ভূঞা মন্তব্য করেছেন যে, দেশে এখন অনেক ধরনের কার্ড থাকলেও সমন্বয়হীনতা রয়েছে। কারও দুটি জন্মনিবন্ধন কার্ড, কারও দুটি পাসপোর্ট রয়েছে। নতুন পরিচয়পত্র হবে একক ও স্থায়ী। নতুন জন্ম নেওয়া একটি শিশুও এই কার্ড পাবে। আর কোনো কার্ডের প্রয়োজন হবে না।








