দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোনার দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাজুস। এর আগে গত ২২ আগস্ট দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুর দাম দফায় দফায় পরিবর্তন করা হচ্ছে।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকায়। এর আগে ২২ ক্যারেটের সোনা তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও বর্তমান বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির কারণে দাম এই পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে।
শুধু ২২ ক্যারেট নয়, দাম বাড়ানো হয়েছে অন্যান্য ক্যাটাগরির সোনারও। নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকায়। পাশাপাশি, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা। এ ছাড়া ঐতিহ্যগত বা সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম বেড়ে দাঁড়াল ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকায়।
তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার ও আজ—এই দুই দফায় দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিপ্রতি মোট ৭ হাজার ১১৫ টাকা বাড়ানো হলো। দেশের বাজারে এর আগে সোনার সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে দেশের বাজারের এই দামের তারতম্য ঘটে থাকে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেષণ করে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৬২৫ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। রয়টার্স ও গোল্ড প্রাইস ডটঅর্গ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে, যা প্রথম আলোর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। বিশ্ববাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাই মূলত দেশের বাজারে দাম বাড়ার মূল কারণ।
সোনার বাজারে এই দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও রূপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে আগের নির্ধারিত দামেই বাজারে রুপা কেনাবেচা চলবে।








