দক্ষ যুবশক্তি গঠনে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি জরুরি
দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে এই প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। অনুষ্ঠানে দেশের যুবসমাজ ও মাদকাসক্তিসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের যুবসমাজের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা তুলে ধরতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
<িপি>এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে স্বনামধন্য বিতর্ক সংগঠন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। সংগঠনটির নিয়মিত আয়োজনের অংশ হিসেবে এই ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।<িপি>প্রতিযোগিতায় দেশের দুটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকরা মুখোমুখি হন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা বিজয়ী গৌরব অর্জন করে। তাদের এই যুক্তিপূর্ণ বিতর্ক উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।অনুষ্ঠানে বিচারক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবু মুহাম্মদ রইস, শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, এস এম মোর্শেদ, রওনক জাহান এবং মো মাসুদ রানা। তাদের সুচিন্তিত মূল্যায়ন প্রতিযোগিতাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। এছাড়া অনুষ্ঠানে কেয়ার বাংলাদেশ ও এসওএস সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেশের বর্তমান যুবসমাজ সম্পর্কিত একটি উদ্বেগজনক তথ্য উঠে আসে। উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মাদকাসক্তের ৮০ শতাংশই তরুণ ও যুবক। যুবশক্তির এই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের বিশাল যুবগোষ্ঠীকে যদি যথাযথ প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়ে কাজে লাগানো না যায়, তবে তা জনমিতির লভ্যাংশের পরিবর্তে বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরিশেষে, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির এই আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তবুদ্ধি চর্চা এবং দেশের নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।








