থাইল্যান্ডের ল্যাম চাবাং বন্দরে আসছে মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ দুটি জাহাজ থাইল্যান্ডের ল্যাম চাবাং বন্দরে এসে পৌঁছাচ্ছে। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে কাটানোর পর প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও মেরিন বিশ্রামের জন্য সেখানে আসছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা এই আগমনকে কেন্দ্র করে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং যৌন পর্যটন বৃদ্ধির শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং আরও দুটি জাহাজ থাইল্যান্ডের ল্যাম চাবাং বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট এই সামরিক মোতায়েনের আওতায় প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও মেরিন থাইল্যান্ডের পাওয়ায় ও ল্যাম চাবাং বন্দর এলাকায় আসছেন। এই বিশাল সংখ্যক সামরিক সদস্য ২০০ দিনের বেশি সময় সমুদ্রে কাটিয়ে এখন বিশ্রামের জন্য থাল্যান্ডের মাটিতে পা রাখছেন।
মার্কিন এই রণতরী এবং অন্যান্য জাহাজগুলোর এই আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানা ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানত এই আগমনকে ঘিরে যৌন পর্যটন সম্ভাব্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং এর পাশাপাশি নানাবিধ জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
উল্লেখ্য যে, থাইল্যান্ডে পতিতাবৃত্তি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও ব্যাংকক এবং পাওয়ায়-এর মতো প্রধান পর্যটন এলাকাগুলোতে দৃশ্যমানভাবেই এই কার্যক্রমের উপস্থিতি রয়েছে। আইনগত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে এর সরব উপস্থিতি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য দীর্ঘকাল ধরেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়ে উঠেছে। মার্কিন নাবিকদের এই আগমন ও অবস্থানের প্রস্তুতি হিসেবে পাওয়ায় পুলিশ ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং ওই এলাকায় টহলও বাড়িয়ে দিয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশ সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে অনেক সরাথংইউ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে তাঁর মতে, কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতসারে প্রকাশ্য স্থানে যৌনকর্মীদের গ্রাহক সংগ্রহের আশঙ্কা থাকায় বিষয়টি সামলানো কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে। পুলিশের এই সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও মাঠপর্যায়ে কিছু জটিলতা থেকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন নাবিক ও মেরিনের এই দীর্ঘ বিরতিহীন সমুদ্রযাত্রা শেষে থাইল্যান্ডের বন্দরে এই বিরতি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ২০০ দিনের বেশি সময় সমুদ্রে কাটিয়ে আসা এই বিশাল বাহিনীর আগমন থাইল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট বন্দর ও পর্যটন এলাকায় কী ধরনের প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।








