থাইল্যান্ডের নতুন ভিসা নীতি: ইসরায়েলিদের নিয়ে অসন্তোষ
থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি পর্যটকদের আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এর মধ্যেই দেশটির সরকার ৬০টি দেশ ও অঞ্চলের নাগরিকদের ভিসামুক্ত থাকার সময় ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি পর্যটকদের আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে দেশটির সরকার নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে। নিক্কেই এশিয়া ও দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলসহ মোট ৬০টি দেশ ও অঞ্চলের নাগরিকদের জন্য থাইল্যান্ডে ভিসামুক্ত থাকার সময় কমিয়ে আনা হয়েছে।
ঘোষিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এই দেশগুলোর নাগরিকরা এখন থেকে থাইল্যান্ডে ৬০ দিনের পরিবর্তে মাত্র ৩০ দিন ভিসামুক্ত থাকতে পারবেন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই নতুন নিয়ম আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন এই নীতিমালায় স্থলসীমান্ত দিয়ে থাইল্যান্ডে ভিসামুক্ত প্রবেশের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশিরা এখন থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বছরের সর্বোচ্চ দুইবার থাইল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ইসরায়েলিদের উপস্থিতি ও তাদের বিভিন্ন আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এর জেরে গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডের ফুকেটের পাতং সৈকতে শত শত স্থানীয় মানুষ 'সেভ ফুকেট' নামক ব্যানার ও স্লোগান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।
থাইল্যান্ডে বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের ক্ষেত্রে ইসরায়েলি নাগরিকদের সংখ্যা বেশ উল্লেখযোগ্য। তথ্যানুযায়ী, গত বছর প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার ইসরায়েলি পর্যটকরূপে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেছেন।
পর্যটনের পাশাপাশি দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ইসরায়েলিদের সংখ্যাও কম নয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার ইসরায়েলি থাইল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
স্থানীয়দের অসন্তোষ এবং পর্যটক নিয়ন্ত্রール এই নতুন ভিসা নীতি ও কড়াকড়ি নিয়ে থাইল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইসরায়েলি দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। কো ফাংগান দ্বীপ ও ফুকেটের পাতং সৈকতের মতো জনপ্রিয় এলাকাগুলোতে এই নতুন নিয়মের প্রভাব কেমন পড়ে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








