তেত্রিশ দফা দাবিতে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিтиর শিক্ষার্থীরা ‘বিশ্ববিদ্যালয় উপযোগী’ শিক্ষক ও টিএসসি নির্মাণসহ ১৩ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। উপাচার্যের এক মন্তব্যের আলোচনার মধ্যেই ঢাকা কলেজ শহীদ মিনারের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ১৩ দফা দাবিতে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। রোববার (২৩ আগস্ট ২০২৬) ঢাকা কলেজ শহীদ মিনারের সামনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও উপাচার্যের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা তাদের ১৩ দফা দাবি তুলে ধরেন। এই দাবির মধ্যে রয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় উপযোগী’ শিক্ষক নিশ্চিত করা, টিএসসি নির্মাণ, শিক্ষার্থীদের জন্য যাতায়াত ব্যবস্থার সুযোগ এবং ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্সের ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ উন্নত করতে এই দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
এর আগে গত ২১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে একটি নীতি সংলাপের আয়োজন করে। সেই নীতি সংলাপের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম।
উক্ত নীতি সংলাপের অনুষ্ঠানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম একটি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে, সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষায় পাঠদানের জন্য যে ধরনের গবেষণা এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি বা মানসিকতা প্রয়োজন, তা রাখেন না। উপাচার্যের এই বক্তব্যটি আসার পরই মূলত শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
উপাচার্যের এ ধরনের মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে এবং শিক্ষাঙ্গনে উচ্চশিক্ষার মান উন্নত করার তাগিদ থেকেই শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হন। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা কলেজ শহীদ মিনারের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা তাদের ১৩ দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন নাঈম হাওলাদার। তিনি ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরে বলেন যে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সার্বিক académica পরিবেশ উন্নত করতে হলে ‘বিশ্ববিদ্যালয় উপযোগী’ শিক্ষক নিয়োগের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে টিএসসি নির্মাণসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
শিক্ষার্থীদের এই সংবাদ সম্মেলন ও ১৩ দফা দাবি নিয়ে এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে উপাচার্যের মন্তব্যের পর শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ও দাবিগুলো উচ্চশিক্ষা খাতে শিক্ষক নিয়োগ এবং কাঠامোগত উন্নয়নের প্রশ্নটিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।








