তৃণমূলের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন
সরকার তৃণমূল থেকে উঠে আসা ক্রীড়া প্রতিভাদের দীর্ঘমেয়াদে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিকেএসপিতে বাছাই করা ৩০৬ জন খেলোয়াড়ের দুই মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ শুরু হবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সরকার দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা উদীয়মান ক্রীড়া প্রতিভাদের দীর্ঘমেয়াদে সঠিকভাবে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই কার্যক্রমের আওতায় সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি নতুন উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। স্টেডিয়ামটির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় তিনি উদীয়মান ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ জীবনের সকল দায়িত্ব সরকার বহন করার কথা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, দেশের ক্রীড়া খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক একটি বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলাকে শুধু সাময়িক বিনোদন কিংবা স্বল্পমেয়াদী মাঠের অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নতুন প্রজন্মকে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও পেশাদার ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তাঁর এই বক্তব্যে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী ক্রীড়া পরিকল্পনার রূপরেখা ফুটে ওঠে।
তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় খুঁজে বের করার জন্য 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসরে দেশব্যাপী ব্যাপক সাড়া মিল ইয়াছিল। প্রতিযোগিতায় সর্বমোট এক লাখ ৬৮ হাজার কিশোর-কিশোরী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। বিশাল এই অংশগ্রহণ থেকে দেশের সম্ভাবনাময় ও উদীয়মান ক্রীড়াবিদদের খুঁজে বের করা হয়।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সেরা ৩০৬ জন প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়কে বাছাই করা সম্ভব হয়েছে। এই বাছাইকৃত তরুণ ক্রীড়াবিদরাই পরবর্তীতে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনকে নেতৃত্ব দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
বাছাইকৃত এই ৩০৬ জন প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়কে নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) তাদের এই কার্যক্রম শুরু হবে। বিকেএসপিতে এই তরুণরা দুই মাসের একটি অত্যন্ত নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে, যা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








